টেস্ট অভিষেকের স্বপ্ন পূরনে সাদমানের অনুপ্রেরনা তার বাবা

0
174

স্পোর্টস ডেস্কঃ ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ার্ল্ড কাপে বাংলাদেশ দলের সেরা পারফরমার সাদমান অনীক। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১৬ রানের রেকর্ডও করেছেন। এক সময়ের টিমমেট সৌম্য,তাইজুল,মোসাদ্দেক,মোস্তাফিজুর, লিটন দাস,মিরাজদের আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছে অনেক আগেই। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করেছেন ধারাবাহিকভাবে। সর্বশেষ জাতীয় লিগে ঢাকা মেট্রোর হয়ে ৬ ম্যাচে ২ সেঞ্চুরি,৩ ফিফটিতে ৬৪৮ রানে আসরের সর্বোচ্চ রান করেছেন। বছর প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে ১৪ ম্যাচে ৪ সেঞ্চুরি,৬ ফিফটিতে ৫৬.০৪ গড়ে ১১৭১ রান। ঢাকা বিভাগ এবং সিলেট বিভাগের বিপক্ষে১৮৯ রান এবং ১৫৭ রান করেছেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে সিরিজে বাংলাদেশ দলে প্রথমে জায়গা হয়নি এই বাঁ হাতি ব্যাটসম্যানের। কিন্তু মিরপুরে সাদমানের অভিষেকটা হয়েছে। অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা না পেলেও থেমেছেন সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ৭৬ রানে। উইন্ডিজ লেগ স্পিনার বিশুর বলে এলবিডাব্লুতে থেমেছে তার ৭৬ রানের ইনিংস।

রাজধানীর গোপীবাগে বড় হয়েছেন সাদমান। বাবা শহিদুল ইসলাম চাকুরি করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ( বিসিবি) গেম ডেভেলপম্যান্ট কমিটিতে। ২০০০ সালে গেম ডেভেলপম্যান্ট কমিটি প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই।

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষেব  বাবা’র অবদানের কথা স্মরন করেছেন সাদমান। সাদমান বলেন,টেস্ট অভিষেকে স্বপ্ন পূরনে বাবাই তার অনুপ্রেরনা।
‘আব্বু সব সময় ক্রিকেটে সহযোগিতা করেছে। আমি সব সময় ক্যাম্পে যেতাম। অনূর্ধ্ব ১৫-১৭ ক্যাম্পে সব সময় আমাকে নিয়ে যেত আব্বু। তখন আমি ছোট ছিলাম। তখন থেকেই আমার ইচ্ছা ছিল ক্রিকেটার হবো। যেভাবে আব্বু খেলার জন্য বলছে ,আমি একাডেমি কিংবা স্কুল ক্রিকেট থেকে ওভাবেই নিজেকে তৈরি করেছি। কিভাবে খেলতে হয়,কিভাবে লাইফ সেট করতে হয়, এসব আমাকে এখনও বলেন আব্বু।’

টেস্টে বাংলাদেশ ওপেনারদের মধ্যে জাভেদ ওমর,হান্নান সরকার, নাফিস ইকবাল, তামীম,জুনায়েদ,নাজিমু­দ্দিনের পর অভিষেক রাঙিয়েছেন হাফ সেঞ্চুরিতে। সাদমানের ৭৬ রানের ১৯৯ বলের ইনিংসটি আদর্শ টেস্ট ইনিংস। খেলেছেন বলের মেরিট বুঝে। ১৯৯ বলের ইনিংসে তাকে কখনো চাপ নিতে দেখা যায়নি। সাবলীল ছিলেন সব বল মোকাবিলায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here