টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ ক্যাপ্টেন মাশরাফি মোর্তজা,সাকিব তামিম দুজনেই দলে আছে। শ্রীলঙ্কা দলে বড় চমক ফিরেছেন লাসিথ মালিঙ্গা।

দলে ফেরা মালিঙ্গাই বাংলাদেশ দলের ব্যাটিংয়ে ধস আনলেন,৪ বল খেলে ০ তে মালিঙ্গার প্রথম শিকার লিটন দাস। কট বিহাইন্ড হয়ে আউট লিটন,সাকিবের উইকেট উপড়ে ফেলেন দারুণ এক ডেলিভারিতে। তবে বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে তামিমের রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরে যাওয়া।মাত্র ৩ বল মোকাবিলা করে ২ রানে ফিরে জেতে হয় তামিমকে। পরে জানানো হয় তামিম আর এশিয়া কাপ খেলতে পারবে না।

তামিমের জায়গায় ব্যাটিং করতে নামেন মিঠুন আলি,টপ অর্ডারেই সুযোগটা চলে তার জন্য। হতাশ করেননি মিঠুন,দারুণ সব শটে চাপে পড়া দলকে টেনে তোলেন মিঠুন আলি এবং মুশফিকুর রহিম। মুশফিক স্ট্রাইক রোটেড করে খেললেও হাত খুলে খেলছিলেন মিঠুন। দুই ছক্কা আর ৫ চারে ৬৮ বলে ৬৩ করে আউট হন মালিঙ্গার বলে।

তবে অপরদিকে একপাশ আগলে রেখে সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক। মাঝে রিয়াদ,মোসাদ্দেক এক রান করে আউট হন। মেহেদি মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান আর মাশরাফি করেন ১১ রান।

শ্রীলঙ্কার সেরা বোলার লাসিথ মালিঙ্গা,২৩ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট যার ভেতর দুই মেডেন।

মোস্তাফিজের আউটের পর সবাইকে অবাক করে ব্যাট করতে নামেন তামিম ইকবার তখনও ম্যাচের ১৯ বল বাকি ছিলো। এক হাত দিয়েই লাকমালের বল মোকাবিলা করলেন তিনি। সৃষ্টি করলেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত। পরের ওভারে মুশি তুললেন ১৫ রান,ছাড়িয়ে গেলেন আগের ব্যাক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোরকে।

মুশফিকের ব্যাটে চড়ে শেষ ১৫ বলে ৩২ রান তোলে বাংলাদেশ,আউট হওয়ার আগে মুশি করেন ১৪৪ রান যেখানে ১১ চারের সাথে ছক্কা ছিলো চারটা।

৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৬১,শ্রীলঙ্কার সামনে টার্গেট ২৬২ রান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here