হারিয়ে যাওয়া মোহামেডানীদের সালতামামি (পঞ্চম পর্ব)

0
273
১৯৮৮ সালে মিরপুর স্টেডিয়ামে ঢাকা মোহামেডানের বিদেশী খেলোয়াড় ভিজেন তাহিরীর চমৎকার হেড

এলিস হকঃ ফেডারেশন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ১০ বার শিরোপা ও ৪বার রানার্স আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আগেই বলা হয়েছে-আশি দশকের মধ্যভাগ সময় হতে নব্বুই দশকের শেষ ভাগ অবধি এদেশীয় ফুটবলের সার্বিক অবস্থান ছিল মোহামেডানের শ্রেষ্ঠতম যুগ।

১৯৮৫ সাল : ২.৪ : এ বছর মোহামডান ষষ্ঠ ফেডারেশন কাপে ফাইনালবিহীন দল ছিল। দ্বিতীয় রাউন্ডে বিদায়। ফাইনালে খেলে ঢাকা আবাহনী বনাম ব্রাদার্স ইউনিয়ন। চ্যাম্পিয়ন হয় আবাহনী। ১-০ গোলে হারে ব্রাদার্স।

১৯৮৬ সাল : ২.৫ : মোহামেডান ঢাকা লীগে ১৩তম অপরাজিত লীগ চ্যাম্পিয়ন হয়। এ নিয়ে তৃতীয়বার লীগ অপরাজিত হলো। এর আগে দলটি ১৯৬৬ ও ১৯৬৯ সালে দু’বার অপরাজিত লীগ চ্যাম্পিয়ন হয়।

২.৬ : সপ্তম ফেডারেশন কাপে মোহামেডান ফাইনালে উঠতে পারেনি। দ্বিতীয় রাউন্ডেই বিদায়। ফাইনালে আবাহনী ২-১ গোলে ব্রাদার্সকে হারায়।

২.৭ : এই সময় মোহামেডানে যোগ দেন সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তারকা ও ইরানী গোলকিপার নাসের হেজাজী।

১৯৮৭ সাল : ২.৮ : এ বছর ফুটবল লীগে মোহামেডান ১৪তম অপরাজিত লীগ চ্যাম্পিয়ন হয়। একই সঙ্গে তারা চতুর্থবারের মতো লীগ অপরাজিত হলো থাকলো। (পরবর্তীতে এর উপর ফিচার লেখার ইচ্ছা আছে)

১৯৮৮ সালে মিরপুর স্টেডিয়ামে ঢাকা মোহামেডানের বিদেশী খেলোয়াড় ভিজেন তাহিরীর চমৎকার হেড

২.৯ : অষ্টম ফেডারেশন কাপের ফাইনালে মোহামেডান ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে। এটা মোহামেডানের ৬ষ্ঠ শিরোপা অর্জন।

৩.০ : ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ৭ম এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপে বাছাইপর্ব ২ নম্বর গ্রুপে অংশ নেয় ঢাকা মোহামেডান। ঘটনার দিন ১৯৮৭ সালের জুন।

কি করেছিল স্বাগতিক ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব?
অপরাজিত লীগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে মোহামেডান এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক মোহামেডান ৬-২ নেপাল মানাং মারসিয়াংদি ক্লাব।

দ্বিতীয় ম্যাচে মোহামেডান ১-৫ ইরাক আল রশিদ ক্লাব।

তৃতীয় ম্যাচে মোহামেডান ৩-১ পাকিস্তান এয়ারফোর্স ফুটবল ক্লাব।
চতুর্থ ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ২-২ মোহনবাগান এ্যাথলেটিক ক্লাব।

ফলাফল : ঢাকা মোহামেডান ২ নম্বর গ্রুপে তৃতীয় স্থান। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় ইরাকের আল রশিদ ক্লাব।

গোলগড়ে গ্রুপ রানার্স আপ হয় ভারতের মোহনবাগান ক্লাব।

মোহনবাগান গোল দেয় ১২টি এবং গোল খায় ৬টি।

স্বাগতিক মোহামেডান গোল করে ১২টি এবং গোল খেয়েছিল ১০টি।

গ্রুপ তালিকা মোহামেডান ও মোহনবাগান উভয় দল ৪ ম্যাচে ৫পয়েন্ট পায়। মোহামেডানের শেষ ম্যাচটি ছিল ঐ মোহনবাগানের বিপক্ষে। ২-২ গোলে ড্র।

যদিও খেলার ধারা অনুযায়ী স্বাগতিক ঢাকা মোহামেডানের জেতা উচিত ছিল। তারা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েও মোহনবাগানের বিপক্ষে শেষ রক্ষা করতে পারলো না। ম্যাচে মোহামেডানের পক্ষে খেলেন নাইজেরিয়ান রিক্রুট খেলোয়াড় ইউজিগো এমেকা। (পরবর্তীতে বিদেশী ফুটবল খেলোয়াড় সম্বন্ধে লেখার ইচ্ছা আছে)

ইরাকী আল রশিদ ক্লাব পরবর্তী সৌদি আরবের মাটিতে সেমিফাইনাল পর্বে অংশ নেয়। আল রশিদের সাথে ছিল সৌদি আরবের আল হিলাল ও থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ব্যাংক ক্লাব।

সেখানে আল রশিদ বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। তারা সৌদি আরবের আল হিলালের কাছে ২-১ গোলে হেরে যায়।

সেই সেমিফাইনাল পর্বে জাপানের ইমিউরি ফুটবল ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হয় এবং রানার্স হয় স্বাগতিক সৌদি আরবের আল হিলাল ক্লাব।

উল্লেখ্য, ২২টি দেশকে নিয়ে ৬টি গ্রুপ করেছিল এএফসিরা।

১৯৬৭ সাল হতে এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপ শুরু হয় এবং চলেছিল ২০০২ সাল পর্যন্ত।

২০০৩ সাল হতে নতুন প্রতীকী নাম পরিবর্তন করে চালু করেছে-‘এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ’।

১৯৮৮ সালে ৮ম এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপে ইরানের লীগ চ্যাম্পিয়ন পিরুজীকে ২-১ গোলে হারিয়ে দেয় মোহামেডান

১৯৮৮ সাল : ৩.০ : ঢাকা ফুটবল লীগে এবং একই সাথে হ্যাটট্রিক অপরাজিত লীগ শিরোপা জেতে মোহামেডান। ফুটবল লীগে মোহামেডান ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে ১৫তম লীগ শিরোপা। পঞ্চমবারের মতো ঢাকা মোহামেডানের নয়া রেকর্ড হয় লীগ অপরাজিতের গৌরব।

৩.১ : নবম ফেডারেশন কাপের ফাইনালে আবাহনীর নিকট ০-১ গোলে হেরে প্রথমবারের মতো রানার্স আপ হয় মোহামেডান।

৩.২ : এই সময় ইরানী খেলোয়াড় নাসের হেজাজী ফুটবল হতে অবসর নেন। তিনি মোহামেডানের ম্যানেজার পদটি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। (পরবর্তীতে নাসের হেজাজীর উপর ফিচার আকারে লেখার ইচ্ছা আছে)…

৩.৩ : ১৯৮৮-৮৯ মৌসুমে এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপের বাছাই পর্বে ঢাকা ফুটবল লীগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে টানা দ্বিতীয়বারের মতো মোহামেডান এসসি বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করে।

সেবারে কোচ নাসের হেজাজের আমলে স্বাগতিক মোহামেডান কি ফলাফল করেছিল?

২৬টি দেশকে নিয়ে ৬টি গ্রুপ করা হয়। স্বাগতিক বাংলাদেশের মাঠে বাছাইপর্বে ৪ নম্বর গ্রুপে অপর ২টি দেশ খেলে ইরানের পিরুজী ক্লাব ও শ্রীলঙ্কার স্যান্ডার্স ক্লাব।

প্রথম ম্যাচ-১৪ জুলাই’৮৮ : ঢাকা মোহামেডান ০-০ স্যান্ডার্স ক্লাব।

দ্বিতীয় ম্যাচ-১৬ জুলাই’৮৮ : পিরুজী ক্লাব ৫-০ শ্রীলঙ্কা স্যাডার্স ক্লাব।

তৃতীয় ম্যাচ-১৮ জুলাই’৮৮ : ঢাকা মোহামেডান ২-১ পিরুজী ক্লাব।

এর ফলে এই গ্রুপে ঢাকা মোহামেডান গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরবর্তী মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা লাভ করে।

আন্তর্জাতিক ক্লাব ফুটবলের বড় আসরে মোহামেডান প্রথম বাংলাদেশী ক্লাব হয়ে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে নিলো। (পরবর্তীতে এটার উপর অনুসন্ধানী রিপোর্ট লেখার ইচ্ছা রইলো)….

৩.৪ : তিন মাস পর মোহামেডান মালয়েশিয়ায় খেলতে যায়….

সেদেশের কুয়ানতান মাঠে ৮ম এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপের চূড়ান্ত পর্বের সেমিফাইনালে অংশ নেয়।

বি গ্রুপে ঢাকা মোহামেডানের সাথে ছিল কাতারের আল সাদ, সৌদি আরবের আল ইত্তিফাক, উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ ও স্বাগতিক মালয়েশিয়ার পাহাং ফুটবল এসোসিয়েশন।

প্রথম ম্যাচ-৫ অক্টোবর’৮৮ : ঢাকা মোহামেডান ১-০ এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ।
দ্বিতীয় ম্যাচ-৭ অক্টোবর’৮৮ : ঢাকা মোহামেডান ২-২ আল সাদ।

তৃতীয় ম্যাচ-৯ অক্টোবর’৮৮ : ঢাকা মোহামেডান ১-৩ আল ইত্তিফাক।

চতুর্থ ম্যাচ-১১ অক্টোবর’৮৮ : ঢাকা মোহামেডান ১-২ পাহাং এফএ।

৪টি খেলায় অংশ ১টি জয়, ১টি ড্র ও ২টি পরাজয়। সবমিলিয়ে মোহামেডান গ্রুপে ৫টি দেশের মধ্যে ৪র্থ স্থান পায়।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় কাতারের আল সাদ ক্লাব। ফাইনাল খেলায় তারা ইরাকের আল রশিদ ক্লাবকে হারায়।

৩১ মার্চ’৮৯ সালে প্রথম লেগে বাগদাদে অনুষ্ঠিত আল সাদ ৩-২ গোলে জয়ী এবং
৮ এপ্রিল’৮৯ সালে দ্বিতীয় লেগে দোহায় অনুষ্ঠিত আল রশিদ ১-০ গোলে জয়ী।

প্রথম লেগে প্রথমে গোল দেয়ার সুবাদে চ্যাম্পিয়ন হয় আল সাদ চ্যাম্পিয়ন।

(পরবর্তীতে পাহাংয়ের মাঠে ঢাকা মোহামেডানের উপর লেখার ইচ্ছা আছে)

ঢাকা মোহামেডানের পক্ষে ইরানী গোলকিপার নাসের হেজাজী

৩.৬ : ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠেয় জেসি গুহ্ মেমোরিয়াল ফুটবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব রানার্স আপ হয়। ম্যাচের ফলাফল ছিল নিম্নরূপ

প্রথম ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ২-১ কলকাতা মোহামেডান।

দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ১-২ মোহনবাগান।
তৃতীয় ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ১-১ জেসিটি।
চতুর্থ ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ০-৫ ইস্টবেঙ্গল।
সেমিফাইনাল ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ১-০ ইস্টবেঙ্গল।
ফাইনাল ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ১-২ মোহনবাগান।

১৯৮৯ সাল : ৩.৫ : দশম ফেডারেশন কাপের ফাইনালে মোহামেডান ২-১ গোলে আবাহনীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। মোহামেডানের ৭ম শিরোপা লাভ।

৩.৫ : এবারই প্রথম বাফুফে ঢাকা লীগের সেশন জট বেঁধে যায় ১৯৮৯-৯০ মৌসুমকে নিয়ে। আগে কখনো এই রূপ পরিস্থিতির জন্ম হয়নি।

৩.৬ : ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে নবম এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপের বাছাই পর্বে সুবাদে টানা তৃতীয়বারের মতো মোহামেডান এসসি প্রতিনিধিত্ব করে।

সেবারের মোহামেডান কি খেলেছিল?

২৭টি দেশকে নিয়ে ৬টি গ্রুপ হয়। স্বাগতিক ইরানের তেহরানের মাঠে বাছাইপর্বে ৪ নম্বর গ্রুপে ৩টি দেশ খেলে স্বাগতিক ইরানের শাহীন আহফাজ, শ্রীলঙ্কার ওল্ড বেনেডিকটান্স স্পোর্টিং ক্লাব ও মালদ্বীপের ভিক্টোরি স্পোর্টিং ক্লাব।

প্রথম ম্যাচ-২১ জুলাই’৮৯ : ঢাকা মোহামেডান ৩-১ ওল্ড বেনেডিকটান্স।
দ্বিতীয় ম্যাচ-২২ জুলাই’৮৯ : ঢাকা মোহামেডান ৭-২ শ্রীলঙ্কা স্যাডার্স ক্লাব।
তৃতীয় ম্যাচ-২৫ জুলাই’৮৯ : ঢাকা মোহামেডান ০-১ শাহীন আহফাজ।

বাছাইপর্বে ঢাকা মোহামেডান দ্বিতীয় স্থান পায়। বাদ পড়ে যায় মোহামেডান চূড়ান্ত পর্বে যাওয়া।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিক শাহীন আহফাজ। শাহীন আহফাজ ক্লাব পরবর্তী চূড়ান্ত পর্বে গিয়ে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। গ্রুপ পর্ব হতে বিদায়।

এবারের ফাইনাল খেলায় অংশ নেয় চীনের লিয়াও নিং বনাম জাপানের নিসান ইয়োকোহোমা।

২২ এপ্রিল’৯০ প্রথম লেগে অনুষ্ঠিত হয় জাপানের ইয়োকোহোমা স্টেডিয়ামে। সেখানে ইয়োকোহোমা ১-২ গোলে লিয়াওনিংয়ের কাছে পরাজিত হয় এবং২৯ এপ্রিল’৯০ দ্বিতীয় লেগে অনুষ্ঠিত হয় চীনের শিংইয়ান স্টেডিয়ামে। লিয়াওনিং ১-১ গোলে ড্র করে ইয়োকোহোমার সাথে। দুই লেগ মিলিয়ে চীন ৩-২ গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়।

১৯৯১ সালে এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপে ইরানের ইশতেগলাল ক্লাব

১৯৯০ সাল : ৩.৭ : এ বছর মোহামেডান কোনো শিরোপা পায়নি। বলতে হবে শিরোপাহীন বছর। টানা ১৯৯০-৯১ দুই মৌসুমে ঢাকা লীগের সেশন জট ছিল।

৩.৮ : ১৯৯০-৯১ মৌসুমে দশম এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপের বাছাই পর্বে টানা চতুর্থবারের মতো মোহামেডান এসসি খেলার সুযোগ লাভ করে।

স্বাগতিক মোহামেডান কি খেলেছিল?

১৫টি দেশকে নিয়ে ৭টি গ্রুপ নিয়ে স্বাগতিক বাংলাদেশের ঢাকার মাঠে বাছাইপর্বে ৫ নম্বর গ্রুপে ৩টি দেশ খেলে স্বাগতিক মোহামেডান, ভারতের সালগাওকর ও মালদ্বীপের ক্লাব লেগুন্স।

প্রথম ম্যাচ-১৯ জুলাই’৯০ : ঢাকা মোহামেডান ৫-০ ক্লাব লেগুন্স।
দ্বিতীয় ম্যাচ-২১ জুলাই’৯০ : ঢাকা মোহামেডান ২-১ সালগাওকর ক্লাব।
বাছাইপর্বে ঢাকা মোহামেডান গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় দ্বিতীয় পর্বের অর্থাৎ কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়। এ নিয়ে মোহামেডান দ্বিতীয়বারের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা করলো।

৩.৯ : পরের বছর ১৯৯১ সালে স্বাগতিক বাংলাদেশের ঢাকায় মাঠেই অনুষ্ঠিত হয় দশম এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপের চূড়ান্ত পর্ব।

‘এ’ গ্রুপে ছিল চীনের লিয়াওনিং এফসি, ইন্দোনেশিয়ার পেলিতা জায়া ও ওমানের আল নাসের।

‘বি’ গ্রুপে ছিল ইরানের ইশতেগলাল, উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ, স্বাগতিক মোহামেডান ও থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ব্যাংক ক্লাব।

প্রথম ম্যাচ-২০ জুলাই’৯১ : ঢাকা মোহামেডান ১-১ ব্যাংকক ব্যাংক ক্লাব।
দ্বিতীয় ম্যাচ-২২ জুলাই’৯১ : ঢাকা মোহামেডান ০-০ এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ।
তৃতীয় ম্যাচ-২৪ জুলাই’৯১ : ঢাকা মোহামেডান ১-১ ইশতেগলাল।

ফলাফল : স্বাগতিক মোহামেডান এবার সেমিফাইনাল উঠতে ব্যর্থ হয়। সেমিতে উঠে বি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ইশতেগলাল ও গ্রুপ রানার্স আপ এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ এবং

এ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন লিয়াওনিং এফসি ও গ্রুপ রানার্স আপ পেলিতা জায়া।

ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ইশতেগলাল ও লিয়াওনিং ফাইনালে উঠে। ২-১ গোলে জয়ী হয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইশতেগলাল। ঘটনার কাল-২৯ জুলাই’১৯৯১ সাল।

(চলবে)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here