হারিয়ে যাওয়া মোহামেডানীদের সালতামামি…(চতুর্থ অংশ)

0
638

এলিস হকঃআমাদের পূর্বপুরুষরা বীরের মতো লড়াই দিয়ে খেলেছেন, অপ্রতিরোধ্যভাবে একের পর এক অমাত্যবিক্রমের ফুটবল খেলা রচনা করেছেন। সেভাবে না লিখে বলা উচিত-দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় জাগরণ সৃষ্টিকারীর আরেক নাম ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। যে ক্লাবটির জন্ম হয় ১৯৩৬ সালে…তাদের ইতিহাস সম্বন্ধে ভালোভাবে না জানলে সবকিছু অস্বীকার করা হবে বাংলাদেশের ক্লাবজগতকে। তাই অজানার পূর্ব ইতিহাসকে সম্বল করে একটু দীর্ঘায়িত হবে।

ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের এ যাবত সাফল্যখনির মালাগুলো তুলে ধরা হলো-

ফেডারেশন কাপে ১০বার শিরোপা-১৯৮০*, ১৯৮১, ১৯৮২*, ১৯৮৩, ১৯৮৭, ১৯৮৯, ১৯৯৫, ২০০২, ২০০৮ ও ২০০৯।
(*যুগ্মচ্যাম্পিয়ন)

স্বাধীনতা কাপে পাকিস্তান আমলে-হ্যাটট্রিকসহ ৭বার শিরোপা-১৯৫৭, ১৯৫৮, ১৯৫৯, ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৬ ও ১৯৬৭।

১৯৬৩ সালে পাকিস্তানের স্বাধীনতা কাপ বিজয়ী ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের খেলোয়াড়বৃন্দ….

১৯৬৩ সালে ঐ পাকিস্তানের স্বাধীনতা কাপে এবং বরিশালের শেরে বাংলা গোল্ডকাপে ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পক্ষে যারা খেলেছিলেন-এরা হলেন পিন্টু, দেবীনাশ, রহমতউল্লাহ, কাইউম, আনসার, কবির, রসুল বক্স, মুসা, প্রতাপ হাজরা, সামাদ, গোলকিপার আম্বিয়া, গোলকিপার বলাই, আবিদ, জহির ও বশির আহমেদ।

বাংলাদেশ আমলে-৩ বার শিরোপা-১৯৭২, ১৯৯১ ও ২০১৪।

সুপার কাপে ২ বার- ২০০৯ ও ২০১৩।

আগা খান গোল্ডকাপে ৩ বার-১৯৫৯ (ঢাকা স্টেডিয়ামে ফাইনালে করাচী মিউনিসিপ্যালিটি কর্পোরেশনকে ১-০ গোলে হারায় ঢাকা মোহামেডান), ১৯৬৪ (যুগ্মচ্যাম্পিয়ন, কেপিটি-ঢাকা মোহামেডান) ও ১৯৬৮।

রানার্স আপ ৩ বার-১৯৬৬ (ঢাকা স্টেডিয়ামে আগা খান গোল্ডকাপের ফাইনালে ঢাকা মোহামেডান ১-২ গোলে ইন্দোনেশিয়ার কাছে হেরে যায়),
১৯৬৭ (একই মাঠে ঐ প্রতিযোগিতার ফাইনালে ঢাকা মোহামেডান ০-২ গোলে ইন্দোনেশিয়ার কাছে হেরে যায়) ও ১৯৭৬।

ঢাকা প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে ১৯ বার লীগ শিরোপা-১৯৫৭, ১৯৫৯, ১৯৬১, ১৯৬৫, * ১৯৬৬, *১৯৬৯, ১৯৭৫, ১৯৭৬, *১৯৭৮, ১৯৮০, ১৯৮২, *১৯৮৬, *১৯৮৭, *১৯৮৮-৮৯, ১৯৯৩, ১৯৯৬, ১৯৯৯ ও ২০০২।
(* অপরাজিত)

এর মধ্যে ১৯৫৯ সালে ঢাকা ফুটবল লীগের শিরোপাধারী ঢাকা মোহামেডানের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন যারা-মঈন,গোলাম সারোয়ার টিপু, ইদ্রিস, আমির বক্স, রসুল বক্স, পিন্টু, প্রতাপ হাজরা, আলী নেওয়াজ, গোলকিপার নুরুন্নবী, আবদুল্লাহ ও জহির।

১৯৫৯ সালে ঢাকা ফুটবল লীগে ঢাকা মোহামেডানের খেলোয়াড়বৃন্দ….

লীগ রানার্স আপে ১২ বার-১৯৫৬, *১৯৬০, ১৯৬২, ১৯৬৪, ১৯৬৭, ১৯৬৮, ১৯৭৩, ১৯৮১, ১৯৮৪, ১৯৮৯-৯০, ১৯৯১-৯২ ও ১৯৯৫।

ডামফা কাপে ৩ বার-১৯৮৪ (যুগ্মচ্যাম্পিয়ন-ঢাকা মোহামেডান ও ব্রাদার্স), ১৯৯৩ ও ১৯৯৫।

মা ও মণি গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন ১ বার-১৯৯১।

পাকিস্তানের মুলতানে ইসমাইল গোল্ড শীল্ডে ২ বার রানার্স আপ-১৯৬৪ ও ১৯৬৮।

পাকিস্তানের পেশোয়ারে টমাস কাপ ফুটবলে ১ বার চ্যাম্পিয়ন-১৯৬৮।

বরিশালে শেরে বাংলা গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন-১৯৬৩।

ভারতের কলকাতার দুর্গাপুরে আশীষ-জব্বার স্মৃতি শীল্ডে চ্যাম্পিয়ন-১৯৮২।

মুন্সিগঞ্জের কালিপদ স্মৃতি শীল্ডে চ্যাম্পিয়ন-১৯৮৩।

মানিকগঞ্জের কুলফা গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন-১৯৮৯।

ময়মনসিংহের মোনায়েম খান গোল্ডকাপ শীল্ডে চ্যাম্পিয়ন-১৯৬৭।

অষ্টম এশিয়ান ক্লাব কাপ (আঞ্চলিক পর্ব) ২ বার চ্যাম্পিয়ন-১৯৮৮ ও ১৯৯০। রানার্স আপ-১৯৮৯।

ভারতের নাগজী ট্রফিতে রানার্স আপ-১৯৮৯।

ভারতের জেসি গুহ ট্রফিতে রানার্স আপ-১৯৮৯।

ভারতের আসামে বরদৌলুই ট্রফিতে রানার্স আপ-১৯৮৯।

এক মৌসুমে তিন ফুটবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা মোহামেডানের শিরোপার শীল্ডগুলো- ১৯৮২ সালের ঘটনা….

বিশেষ দ্রষ্টব্য : তারও আগে ১৯৫৯, ১৯৬৪ ও ১৯৬৮ সালে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রিন্স ইসমাইলিয়া সম্প্রদায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকা মোহামেডান ৩ বার শিরোপার মুখ দেখেছিল। এটাই স্বাধীনতার পূর্বে দেশীয় যেকোনো ক্লাব স্তরে এ যাবত সেরা সাফল্যের কান্ডারি ঢাকা মোহামেডানের নামে বিরল রেকর্ডযুক্ত হয়ে রয়েছে।

এরকম আরো অনেক তথ্যের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপের পরিসংখ্যান নিয়ে লেখা হলে বড় হয়ে যাবে। শেষ হবে না। অনেক কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে নিকট অতীতের ঢাকা মোহামেডান এসসি। কী নাই ঢাকা মোহামেডানের?

এখন পর্যালোচনার বিষয় :

আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা মোহামেডানের সাফল্য অবিস্মরণীয়। যেনো চোখ চেয়ে দেখার মতো ইতিহাস।

১৯৮৮ ও ১৯৯০ সালে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন ক্লাব (এএফসি) চ্যাম্পিয়নশীপের মূলপর্বে অংশ নিয়েছিল ঢাকা মোহামেডান।
বিশেষ করে এশীয় ফুটবলের শক্তিধর ইরানের জাতীয় লীগ পিরুজি ক্লাবকে ২-১ গোলে অপ্রত্যাশিতভাবে হারিয়ে দেয়ার ঘটনাটি ছিল চমক নাটকীয়তা। পাশাপাশি দুর্দান্ত শক্তিশালী কাতারের আল সাদ ক্লাবের এবং ইরানের ইশতেগলাল ক্লাবের বিপক্ষে ঢাকা মোহামেডান তারা তাদের ইজ্জত বাঁচিয়েছিল।

২০০৬ সালে মোহামেডান প্রথমবারের মতো খেলে এএফসি কাপ। রেজাল্ট সন্তোষজনক নয়। মূল পর্বেই বিদায়।

২০১৬ সালে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় ঢাকা মোহামেডান সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠেই বিদায় নেয়।
অনায়াসে বলা যায় ঢাকা মোহামেডানের কাছে এশীয় অঞ্চলের ক্লাবগুলোর সাথে কোনোভাবেই পাত্তা পায়নি। ভাবা যায়!

ঐ ১৯৯৩ সালে মালদ্বীপের ভ্যালেন্সিয়া ক্লাব ও ১৯৯৬ সালে লাওসের ইলেকট্রিসিটি ক্লাবকে যুগবৎ ৮-০ গোলে পরাস্ত করতে সক্ষম হয়েছিল ঢাকা মোহামেডান। সেই ঢাকা মোহামেডান এখনকার ইন্টারনেট যুগে একেবারেই অসহায়। নয়া ইতিহাসের অবস্তু! মানে কিছুই না।

ফুটবলে বিদেশী দলের বিরুদ্ধে ঢাকা মোহামেডানের খেলার ফলাফল নিয়ে বেসরকারিভাবে তথ্য দেয়া হলো-
১৯৫৮ সালে ভারতের মাটিতে আইএফএ ফুটবল প্রতিযোগিতা…
প্রথম ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ২-০ গোলে কলকাতা পুলিশকে,
দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ২-০ গোলে পাঞ্জাব পুলিশকে,
তৃতীয় ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ৪-০ গোলে এরিয়ান্স ক্লাবকে,
চতুর্থ ম্যাচে কলকাতা মোহামেডান ৩-০ গোলে ঢাকা মোহামেডানকে হারিয়েছিল।

১৯৬৪ সালে ঢাকা স্টেডিয়ামে আগা খান গোল্ডকাপে দুবার খেলে ঢাকা মোহামেডান-পোর্ট ট্রাস্ট। প্রথম ম্যাচে ১-১ গোলে এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র হয়।

১৯৬৮ সালে একই মাঠে ঐ প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ৫-০ গোলে শ্রীলঙ্কাকে,
দ্বিতীয় ম্যাচে কেপিটি-মোহামেডান ০-০ ড্র, তৃতীয় ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ১-০ গোলে কেপিটিকে হারায়।

১৯৬৯ সালে ঢাকা মোহামেডান-কেপিটি ২-২ গোলে ড্র হয়।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর-
১৯৭৩ সালে ঢাকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল প্রদর্শনী ম্যাচ। এতে খেলে ভারতীয় মোহনবাগান-ঢাকা মোহামেডান। ১-০ গোলে জয়ী হয় মোহনবাগান।
একই বছরে ঢাকা মোহামেডান ভারতের পাঞ্জাবে ডুরান্ড শীল্ড প্রতিযোগিতায় খেলে। পাঞ্জাব পুলিশের নিকট ৪-০ গোলে পরাজিত হয় ঢাকা মোহামেডান।

১৯৭৬ সালে ঢাকা ফুটবল লীগের শিরোপাধারী ঢাকা মোহামেডানের খেলোয়াড়বৃন্দ….

১৯৭৬ সালে ঢাকা স্টেডিয়ামে আগা খান গোল্ডকাপের প্রথম ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ২-০ গোলে থাইল্যান্ডের রাজবিথী দলকে এবং ফাইনালে মালয়েশিয়ার পেনাং ফুটবল ক্লাব ৩-০ গোলে ঢাকা মোহামেডান পরাজিত হয়।
একই বছরে ঢাকা স্টেডিয়ামে এক ফুটবল প্রদর্শনী ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ০-১ গোলে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হারে।

১৯৭৭ সালে ঢাকা স্টেডিয়ামে আগা খান গোল্ডকাপের প্রথম ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ১-২ গোলে পরাজয় বরন করে ইন্দোনেশিয়ার কাছে।
দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ২-০ গোলে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দেয়। তৃতীয় ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ২-১ গোলে ভারতকে হারায়। চতুর্থ ম্যাচে ইরান ৪-০ গোলে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয় ঢাকা মোহামেডান।

১৯৭৯ সালে ঢাকা স্টেডিয়ামে আগা খান গোল্ডকাপের প্রথম ম্যাচে ঢাকা মোহামেডান ২-০ গোলে নেপালকে হারিয়ে দেয়। দ্বিতীয় ম্যাচে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ব্যাংক ক্লাব ২-০ গোলে ঢাকা মোহামেডান হেরে যায়।

অন্যরকম ইতিহাস :
তুলনার বিচারে আশির দশকের শেষ এবং নব্বুইয়ের মাঝখানে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাফল্য এশিয়ান স্তরে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

বোধ করি, ঢাকা মোহামেডানের সেরা দিনগুলো অধ্যায়ের মধ্যে পড়ে ঐ ১৯৮০ হতে ১৯৯০ পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ১৬টি শিরোপা অর্জনের রেকর্ড লিখিত রয়েছে।

দোদর্ন্ড প্রতাপের ১০ বছর শাসন করেছে এশিয়ার ভেতরে ও বাইরে হতে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্লাব অঙ্গনে ভারতের মাটিতে। ১৯৮২ সালে ভারতের কলকাতার দুর্গাপুরে অনুষ্ঠেয় আশীষ-জব্বার শীল্ড অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা মোহামেডান।

তাহলে শুরু করা যাক-গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ১০ বছরে ঢাকা মোহামেডানের দলীয় সাফল্যগুলোর মধ্যে কি ছিল? কোন্ ক্লাবকে হারিয়ে ঢাকা মোহামেডান কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছিল? লেখা যাক-

১৯৮০ সাল : ১.১ : বাংলাদেশের মাটিতে সর্বপ্রথমবারের মতো আয়োজন হয় প্রথম ফেডারেশন কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা। ঢাকা মোহামেডান ও ফুটবলে তৃতীয়শক্তি ব্রাদার্স ইউনিয়ন ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। উভয় দল গোলশূন্য ড্র করায় যুগ্মচ্যাম্পিয়ন ঘোষিত হয়।

১.২ : স্বাধীনোত্তর ঢাকা মোহামেডান ১৯৭৫, ১৯৭৬ ও ১৯৭৮ সালে লীগ শিরোপা পেলেও ১৯৮০ সালে ফুটবল লীগের চতুর্থ শিরোপা অর্জন করে।

১৯৮১ সাল : ১.৩ : দ্বিতীয় ফেডারেশন কাপ ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ঢাকা আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়ে ঢাকা মোহামেডান চ্যাম্পিয়ন হয়।
১.৪ : ঢাকা ফুটবল লীগে রানার্স আপ।

১৯৮২ সালে ঢাকা মোহামেডানের খেলোয়াড়বৃন্দ….

১৯৮২ সাল : ১.৫ : ট্রিপল শিরোপার বছর ছিল ঢাকা মোহামেডানের। এক মৌসুমে ৩টি শিরোপা পায় তারা। ১.৬ : প্রথমতঃ ফেডারেশন কাপে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন (মোহামেডান-আবাহনী)।

১.৭ : দ্বিতীয়তঃ ভারতের কলকাতার দুর্গাপুরে আশীষ-জব্বার শীল্ডে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন এবং
১.৮ : তৃতীয়তঃ ঢাকা ফুটবল লীগের পঞ্চম লীগ চ্যাম্পিয়ন অর্জন।

১৯৮৩ সাল : ১.৯ : চতুর্থ ফেডারেশন কাপের ফাইনালে ঢাকা আবাহনীকে ২-০ গোলে হারিয়ে ঢাকা মোহামেডানের হ্যাটট্রিক শিরোপা অর্জন।
২.০ : ঢাকা ফুটবল লীগে মোহামেডানের রানার্স আপ।

১৯৮৪ সাল : ২.১ : পঞ্চম ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে ঢাকা আবাহনী-ঢাকা মোহামেডানের সাথে ০-০ গোলে ড্র হয় এবং খেলাটি পরিত্যক্ত হলেও ঢাকা মোহামেডানকে বিজয়ী ঘোষিত হলে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়।
২.২ : একই সাথে ডামফা কাপের ফাইনালে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও ঢাকা মোহামেডানের মধ্যকার গোলশূন্য ড্র হল উভয় দলকে যুগ্মচ্যাম্পিয়ন হয়।
২.৩ : ঢাকা ফুটবল লীগে মোহামেডান রানার্স আপ হয়।

(চলবে). …

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here