২৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা বাংলাদেশের মতো,বোর্ডে ১৮ রান তুলতেই নেই তিন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান। বাবর আজম ও শারফরাজকে আউট করে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন মোস্তাফিজুর রহমান,ফখর জামানের উইকেট নেন মেহেদি হাসান মিরাজ।

আরেক ওপেনার ইমাম উল হক এবং অভিজ্ঞ শোয়েব মালিক শুরুর চাপ সামাল দেন,তবে দলীয় ৮৫ রানে শোয়েব মালিক ফিরে যান মাশরাফি মোর্তজার দারুণ এক ক্যাচে (৩০) ।

শাদাব খান ২৪ বল খেলে ৪ রানের বেশি করতে পারেননি। তাকে আউট করেন ব্যাট হাতে ব্যর্থ সৌম্য।ইমাম উল হক এবং আসিফ আলির ৭১ রানের জুটি ভাঙেন মেহেদি মিরাজ,সহজ ক্যাচ মিস করা লিটন দাস আসিফ আলিকে স্টাম্পিং করলে বাংলাদেশ আবার ম্যাচে ফেরে।
৪৭ বলে ৩১ করে ফিরে যান আসিফ,আসিফের বিদায়ের পরেই ৮৩ রান করা ইমাম উল হক আউট হন রিয়াদের বলে। এবারেও আউটের পেছনের কারিগর লিটন দাস। ১০ ওভার বল করে ২৮ রানে দুই উইকেট শিকার মেহেদি হাসান মিরাজের। হাসান আলী মোস্তাফিজের তৃতীয় শিকার হয়ে ফিরে যান ৮ রানে।

বাকি সবাই যাওয়া আসার মধ্যে ছিলেন,মোস্তাফিজের শিকার ৪ উইকেট। রুবেল,সৌম্য,রিয়াদের শিকার একটি করে উইকেট। বাংলাদেশ ম্যাচ জেতে ৩৭ রানে। ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ সবার আগে ফাইনালে ওঠা ভারত।

দিনের শুরুতে জিতলে ফাইনাল,হারলে ধরতে হবে বাড়ির পথ এমন সমীকরনের সামনে দাড়িয়ে খেলতে নামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি মোর্তজা,বড় চমক হিসাবে সাকিব আল হাসানকে ছাড়াই খেলতে নামে বাংলাদেশ দল।

সাকিব আল হাসান,নাজমুল ইসলাম অপু,এবং শান্তর জায়গায় একাদশে ফিরেন মমিনুল হক,রুবেল এবং দেশ থেকে উড়িয়ে আনা সৌম্য সরকার।

শান্ত-লিটনের বদলে ওপেনিংয়ে লিটন-সৌম্য,ওপেনিংয়ের­ চিত্র বদলালেও শুরুর ছন্নছাড়া ব্যাটিং এদিনও অব্যাহত ছিলো। এদিনো ব্যর্থ লিটন,নিজের পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ সৌম্য সরকার। ১৬ বলে ৬ রানে বিদায় লিটনের,সৌম্য মারেন ‘ডাক’। মমিনুল শাহিন আফ্রিদির বলে দারুণ এক চার মেরে পরের বলেই বোল্ড আউট।১২ রানে নেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান,শ্রীলংকা­ ম্যাচের মতো এদিনো হাল ধরেন মুশফিক-মিঠুন।

তাদের জুটিতে ভর করেই শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে বড় রানের সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। মালিঙ্গার বলে আউটের যেন কার্বনকপি হয়েই এদিনো ভালো শুরুর পর আউট মোহাম্মদ মিঠুন (৬০)। তবে মুশফিক খেলছিলেন দারুণ ক্রিকেট,মিঠুনের আউটের পর সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন মুশফিক। রিয়াদকে সাথে নিয়ে দলীয় স্কোরটাকেও এগিয়ে নিচ্ছিলেন তবে এক রানের আক্ষেপে সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন মুশফিক,শাহিন আফ্রিদির বলে কট বিহাইন্ড হন নিরানব্বইতে।

প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে নিরানব্বই রানে কোন ব্যাটসম্যান আউট হলেন,মুশফিকের বিদায়ের পর ২৫ রানের বেশি করতে পারেননি রিয়াদ। রিয়াদের বিদায়ের পর আর কেউ উইকেটে দাড়াতে পারেনি,মেহেদি হাসান করেন (১২) আর মাশরাফির ব্যাট থেকে আসে (১৩)।

২৩৯ রানে অল আউট বাংলাদেশ,মোহাম্মদ আমিরের জায়গায় দলে ডাক পাওয়া জুনায়েদ খান নেন ১৯ রানে ৪ উইকেট। শাহিন আফ্রিদি এবং হাসান আলির শিকার ১টি করে উইকেট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here