ব্যাটিং-বোলিংয়ে টাইগারদের হ্যাটট্রিক জয়

0
13

স্পোর্টস ডেস্ক: আয়ারল্যান্ড এশিয়ার চেয়ে ভিন্ন কন্ডিশন হলেও জয় পেতে কোন বেগ পেতে হয়না টাইগারদের। ২০১৭ সালের ট্রাই-নেশনের মতো করে ২০১৯ সালের ট্রাই-নেশনেও দারুণ ফর্মে আছে বাংলাদেশ দল। সেবার রার্নাসআপ হলেও এবার আছে ফাইনাল সেরা হওয়ার সুযোগ।

১৭ মে ফাইনালের আগে নিয়ম রক্ষার ম্যাচে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ দল। ক্লোনটার্ফ ক্রিকেট ক্লাব মাঠ অনুষ্ঠিত ম্যাচে টাইগারদের দাপুটে জয়। রাহীর ৫ উইকেটের পর তামিম, সাকিব ও লিটনের অর্ধশতকে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

দু’দলের মধ্যেকার প্রথম লড়াই বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। আর দ্বিতীয় দেখার ম্যাচটি ছিল শুধুই নিয়ম রক্ষার। তিন দলের টুর্নামেন্টে শেষ ম্যাচের আগেই ফাইনাল নিশ্চিত হয় বাংলাদেশ ও উইন্ডিজের।

ক্লোনটার্ফে নিয়ম মেনেই টস হেরেছেন মাশরাফী। শুরুতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ। একাদশ চার পরিবর্তন। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেন রুবেল-সাইফুদ্দিন। সৌম‌্যর পরিবর্তে লিটস আর মিথুনের পরিবর্তে মোসাদ্দেক।

ইনিংসের শুরুতে রাহীর হাতে নতুন বল তুলে দেন মাশরাফী। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে সাফল্য দেন রুবেল হোসেন। প্রথম স্লিপে ম্যাককোলামকে লিটনের তালুবন্দি করান এই পেসার। ৩৬ রান পর আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বার্লবিনিকে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম শিকারে পরিণত করেন রাহী। তৃতীয় উইকেটে বড় জুটি গড়ে তোলে আইরিশরা। পোর্টারলিল্ড-স্টার্লিং জুটি যোগ করেন ১৭৪ রান। দু’জনকেই সাজঘরে ফেরত পাঠান রাহী। প্রথমে ৯৪ রান করা পোর্টারফিল্ডকে লিটনের হাতে এবং পরের ওভারে প্রথম কেভিন ও’ব্রাইন এবং সেঞ্চুরিয়ান স্টার্লিংকেও সাজঘরে ফেরত পাঠান রাহী।

রাহীর জোড়া শিকারের পর যোগ হন সাইফুদ্দিন। এই পেসার তুলে নেন ২টি উইকেট। আর উইলসনকে সাকিব আল হাসানের হাতে বন্দি করে ১১তম বোলার হিসেবে টাইগারদের পক্ষে ৫ উইকেটের দেখা পান আবু জায়েদ রাহী। নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯২ রান তোলে আয়ারল্যান্ড। স্টার্লিং ১৩০ এবং পোর্টারফিল্ড ৯৪ রান সংগ্রহ করেন।

টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচের রান তাড়ার তুলনায় এবারের রান ছিল তুলনামূলক একটু বেশি। তবে তামিম-লিটনের ব্যাটে সেটি একটু বেশিই থাকল একটু সময়ের জন্যও খুব বড় টার্গেট মনে হয়নি টাইগারদের জন্য। নতুন জুটিতে ইনিংসের শুরুতে ১’শ রান।

সিঙ্গেল বের করতে গিয়ে ব্যাকফুটে খেলা তামিম ৫৭ রানে প্রথম শিকার। তার বিদায়ে ভাঙে ১১৭ রানের জুটি। ওয়ান ডাউনে নামা সাকিব খেলেছেন ধীর সুস্থে। মাংস পেশীতে টান পাওয়ায় ৫০ রানে রিটায়ার্ড হার্ট। সাকিবের আগে ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৬ রানে সাজঘরে ফিরেন লিটন দাস। তিন অর্ধশতকের জয়ের ভিত্তি পেয়ে যায় বাংলাদেশ। মিডল অর্ডারে মুশফিকুর রহিম ৩৫, রিয়াদ অপরাজিত ৩৫, মোসাদ্দেক ১৪ এবং সাব্বিরের ৭ রানে অপরাজিত থেকে ফাইনালে বাংলাদেশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here