বুটজোড়া তুলে রাখলেন টাইগার শরীফ

0
138

স্পোর্টস ডেস্কঃ সময়টা ২০০৬। মোহামেডানের হয়ে খেলতে নামার পর সমর্থকরা আমাকে টাইগার বলে সম্বোধন করেন, কারন ঐ সময়টা আমি অনেক এগ্রেসিভ ফুটবল খেলতাম। এরপর মোহামেডানের সতীর্থরা একই নামে ডাকা শুরু করেন। টাইগার শরীফ নামটা আমার কাছে একটি আলাদা আবেগের জায়গা। কেউ এই নামে ডাকলে আমার স্পিড ১০০ থেকে ১২০ এ চলে যায়।এই নামটি আমাকে অনুপ্রানিত করে।’ স্পোর্টস নিউজ বাংলাদেশের সাথে একান্ত এক সাক্ষাৎকারে নিজের নামের পাশে টাইগার উপাধির মর্মটুকু বলেছিলেন এনামুল শরীফ। গতকাল ঢাকা আবাহনী ও ঢাকা মোহামেডানের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে বুট জোড়া তুলে রেখেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের এই মিডফিল্ডার।

১৯ বছরের দীর্ঘ ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন ২০০০ সালে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবে খেলার মধ্য দিয়ে। এরপর বিভিন্ন মেয়াদের দশ বছর কাটিয়েছেন ঢাকা মোহামেডান এসসি’তে, পাঁচ বছর শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে ও দুই বছর খেলেছেন শেখ রাসেল কেসি’তে। এরমধ্যে ২০১০ সালে মোহামেডান ও ২০১২ সালে শেখ জামালে অধিনায়ক ছিলেন তিনি।

ক্যারিয়ারে পাঁচটি ফেডারেশন কাপের পাশাপাশি একবার প্রিমিয়ার লীগ ও একবার সুপার কাপ জিতেছেন শরীফ। এছাড়াও নেপালের পোখারা কাপ এবং ভুটানের কিংস কাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি।

২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা জাতীয় দলে খেলে গিয়েছেন। তবে এরপর ইনজুরির কারনে অনিয়মিত হয়ে পড়েন এই পরিশ্রমী মিডফিল্ডার। ২০১৬ সালে শেষবার দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন শরীফ। জাতীয় দলের হয়ে ৩৪ ম্যাচে দুটি গোল করেন তিনি। তবে অবসরের সময় জাতীয় দলের অধিনায়ক না হতে পারার আক্ষেপের কথা জানান শরীফ। ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সময়েই ইনজুরিতে পড়ে দল থেকে ছিটকে যান এই মিডফিল্ডার।

অবসর পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে স্পোর্টস নিউজ বাংলাদেশকে তিনি জানিয়েছেন, ‘আপাতত পারিবারিক ব্যবসা আছে যা দেখাশুন করবো। সাথে খেলার কারনে পরিবারকে তেমন সময় দিতে পারি নি কখনই, এখন তাদের কিছুটা সময় দিতে চাই। এছাড়া আমার ফুটবল একাডেমি রয়েছে। খেলোয়াড়দের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করবো। আমি আরেকটি টাইগার শরীফ দেশকে তৈরি করে দিতে চাই।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here