বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা।

0
73

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পাওনা টাকা আদায়ের শেষ পর্যন্ত মামালার পথে হেটেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ক্যাম্প কমান্ডার মোঃ আবদুস সাদেক। সুরাহা না হওয়ায় বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও নির্বাহী কমিটির ২৪ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামালা করেছেন তিনি উচ্চ আদালতে।

পাওনা টাকা আদায়ের জন্য দিন বিশেক আগে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) উকিল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্যাম্প কমান্ডার মোঃ আবদুস সাদেক। উকিল নোটিশের পরেও কোন সুরাহা না হওয়ায় তিনি উচ্চ আদালতে মামলা করেছেন। মামলায় বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও নির্বাহী কমিটির সবাইকে আসামী করা হয়েছে। প্রায় ১৮ লাক্ষ টাকা পাওনা বাফুফের কাছে। উকিল নোটিশের পর বাফুফের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে টাকা পাওনার কথা। কিন্তু পরিশোধ করা হয়নি। তাই টাকা আদায়ের জন্য মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন আবদুস সাদেকে।

বাফুফের কাছে পাওনা টাকার বেশিরভাগেরই এক যুগেরও বেশি সময় আগের। আবদুস সাদেক জানান, ২০০৫ সালে যখন ক্রুসিয়ানি কোচ ছিলেন, তখন বিকেএসপির ক্যাম্পে তিনি জাতীয় ফুটবল দলের দ্বায়িত্বে ছিলেন। পরে ব্রাজিলের কোচ সিলভা ডিডোর সময়েও তিনি ছিলেন। তখন ক্যাম্পের খাবার,ঔষধ ও জেনারেটর ভাড়া বাবদ এই টাকা পাওনা হয়েছিল। ২০০৫ সালে কাজী সালাউদ্দিন ছিলেন ন্যাশনাল টিম ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান। তিনি তখন সাদেককে বলেছিলেন ফুটবলারদের খাবারে কোন সমস্যা না হয়। তাই ভিত্তিতেই খরচ করা হয় এই অর্থ।

মামলার বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানান, মামালা হয়েছে কিনা জানি না। কারণ আমারা এখনও কোন কাগজ পত্র পাইনি। আর উকিল নোটিশ পাওয়ার পর তার জবাব দিয়ে আবদুস সাদেককে বলেছি ১৪ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় বিল-ভাউচা’র জমা দিতে।

সাদেকের আইনজীবীর কাছ থেকে জানা যায়, মামালাটি হয়েছে সিভিল কোর্টে ঢাকা পঞ্চম জজ আদালতে যার শুনানি আগামী ১৮ মার্চ। অন্যদিকে সাদেকের নামে পাল্টা উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ। যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১ মার্চ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here