বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ ড্র!

0
50

এ যেন ফিনিক্স পাখির গল্পের সুনীপুন মঞ্চায়ন। মৃত প্রায় ফুটবলের পুনরুত্থানের বার্তা। জামাল-সাদরা যেন জানান দিলেন এ দেশের ফুটবলের সম্ভাবনা এখনো মরে যায়নি। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের এই ম্যাচকে, ঠিক কোন বিশেষনে বিশেষায়িত করা যায়?

কলকাতার সল্ট লেকে গ্যালারি ভর্তি দর্শক। চারদিকে কেবলই ‘ভারত’, ‘ভারত’ চিৎকার। এতো দর্শকদের সামনে খেলার অভিজ্ঞতাটাই যে নেই বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের। তাতে কী? বাংলাদেশের ছেলেরা তো দমে যাওয়ার নয়। বীরের মতো লড়লো পুরোটা সময়। মাঠের প্রতিটি কোণায় তাদের বিচরণ। ভারতীয় ফুটবলারদের যেখানে খুঁজে পাওয়া দায়।

র‌্যাংকিংয়ে ৮৪ ধাপ এগিয়ে থাকা ভারত খানিকটা দাপট দেখাচ্ছিল শুরুতে। ৩৪ মিনিটে তো ভারতের ডানদিক থেকে নেয়া শট এক হাতে বারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেন রানা, যেটি হয়ে যেতে পারতো গোল। তবুও আক্রমনে কম যায়নি বাংলাদেশও।

কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর ফুটবলে ভয় ধরাচ্ছিল প্রতিপক্ষ সমর্থকদের বুকে। প্রথমার্ধের ৪২ মিনিটে জামালের ফ্রি-কিকে সাদের মাথা ছুঁয়ানোতে কাঙ্খিত সেই গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। লিড নিয়েই বিরতিতে যায় সফরকারিরা। দ্বিতীয়ার্ধে ৫১ মিনিটের মাথায় দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিলেন স্ট্রাইকার নবীব নেওয়াজ জীবন। সতীর্থের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় দৌড়ের মধ্যেই বক্সে বল নিয়ে ঢুকে যান তিনি, শটও নিয়েছিলেন। সেটি কোনোমতে আটকে দেন ভারতীয় এক ডিফেন্ডার।

৭১ মিনিটেই সমতায় ফিরতে পারতো স্বাগতিকরা। ভারতের সংঘবদ্ধ এক আক্রমণ ডিফেন্ডাররা বেশ কয়েকবার ঠেকিয়ে দিলেও শট নিয়েছিলেন স্বাগতিক দলের এক ফুটবলার। বাংলাদেশ গোলরক্ষক রানার দৃঢ়তায় তা আর সম্ভব হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here