চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিদায় করে ফাইনালে ইংল্যান্ড

0
23

স্পোর্টস ডেস্ক: অধিনায়ক মরগ্যান শেষ বলে চার মেরে ১৯৯২ সালের পর আবারো ইংল্যান্ডকে ফাইনাল তোলেন। যে পিচে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা রান তুলতে হিমশিম খেয়েছে। সেই পিচে দারুন ব্যাটিং করেছেন জেসন রয়,জনি বেয়ারস্টো,জো রুটরা। ১৮ ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।

২২৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই পজেটিভ ব্যাটিং করতে থাকেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। উদ্বোধনী জুটিতেই শতরানের ভিত পায় ইংল্যান্ড। মূলত উদ্বোধনী জুটিতেই জয়ের পথ সহজ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের জন্য।

৬৫ বলে ৮৫ রানের ইনিংস থামে বিতর্কিত আউটে। গ্লাভসে কিংবা হাতে না লাগলেও বোলার প্যাট কামিন্স ও অস্ট্রেলিয়া দল আবেদন করলে আউট দিয়ে দেন আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা। আউটের পরে ক্ষোভ দেখা যায় জেসন রয়ের অঙ্গভঙ্গিতে। তবে জেসন রয়ের বিদায়ের পর আর কোন বড় অঘটন ঘটেনি ইংল্যান্ড ইনিংসে। জো রুট আর মরগ্যান ইংল্যান্ডকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। রুট করেন ৪৯ আর মরগ্যান করেন ৪৫ রান। ৮ উইকেটের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে স্বাগতিকরা।

এর আগে এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৯ ওভারে ২২৪ রানের সংগ্রহ গড়ে অস্ট্রেলিয়া। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৫ রান করেন স্টিভ স্মিথ।

ইনিংসের শুরু থেকেই ইংলিশ বোলারদের তোপের মুখে পড়ে অজি ব্যাটিং লাইনআপ। ১৪ রানে ৩ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ক্রিস ওক্স আর আর্চারের বোলিংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।

তবে স্টিভ স্মিথ আর উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ক্যারি সেই চাপ সামাল দেন। ক্যারির বিদায়ের পর আর বড় কোন জুটি গড়তে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।ক্যারি ফেরেন ৪৬ রানে। স্মিথের ব্যাট থেকে আসে ১১৯ বলে ৮৫ রান। ম্যাক্সওয়েলের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান।স্টার্কের ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান।

তিনটি করে উইকেট শিকার করেন ক্রিস ওক্স ও আদিল রশিদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here