ফুটবলে কে-স্পোর্টসের এই সম্পচার মনে রাখবে অনেকদিন, বাংলার ফুটবল প্রেমিরা। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আগের আসর গুলো সম্পচার হলেও, ছিল না কোন গুনগত মান। যা টিভির দর্শকরা একপ্রকার বিরক্তি প্রকাশ করতো।

কিন্তু এবারের আসর একেবার ভিন্ন আঙ্গিকে সবার কাছে উপস্থাপন করেছে কে-স্পোর্টস। দর্শকের কথা মাথায় রেখে মাঠের ৪টি এ্যাংগেল থেকে ১৪টি ক্যামেরা ব্যাবহার করেছে। বাংলাদেশ ফুটবল সম্পচার ইতিহাসে তারাই প্রথম ব্যাবহার করেছে ১) আল্ট্রা মোশন ক্যামেরা ২) সুপার স্লো মোশন ক্যামেরা ৩) নেট ক্যাম ক্যামেরা এছাড়া খেলার কোন অংশ যেন বাদ না যায় তার জন্য প্রতিটি ক্যামেরায় রিপ্লে পদ্ধুতি সচল রাখা ছিল। মান সম্মত এই কাজের পেছনে দেশী বিদেশী ৫০ জনের অবদান ছিল বেশি।

এছাড়া বাংলা ও ইংরেজী ধারাবর্ণনায় ম্যাচ সম্পচারের ব্যাবস্থা করে কে-স্পোর্টস।

কে-স্পোর্টস এই মানসম্মত সম্পচার নিয়ে দর্শকেরা ধন্যবাদ জানিয়েছে পার্থ শাহা নামে একজন ফুটবল ভক্ত বলেন- এত সুন্দর ও উন্নত মানের আয়োজনের জন্য কে-স্পোর্টসকে ধন্যবাদ।

এআর নাইম নামের একজন বলেন- ধন্যবাদ কে-স্পোর্টস, ফুটবলের নতুনত্ব ও ফুটবলের পাশে থেকে বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নের সঙ্গী হয়ে থাকবে কে-স্পোর্টস।

রিয়াজুল করিম রাশু নামের একজন বলেন- মানসম্মত ফুটবল টূর্নামেন্ট উপহার দেওয়ায় কে-স্পোর্টসকে ধন্যবাদ।

সেই সাথে দর্শকদের অনুরোধ কে-স্পোর্টস দেশের ফুটবলের সাথে সব সময় থাকবে, পাশাপাশি তারা ফেডারেশন কাপ, বিপিএল ফুটবল ও স্বাধীনতাকাপ সম্পচারে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত রাখবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here