ইতালিতেও মেসি–রোনালদো দ্বৈরথ?

0
180

ইতালিতে আবার মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ? ছবি: এএফপিইতালিতে আবার মেসি-রোনালদো দ্বৈরথ? ছবি: এএফপি

স্প্যানিশ ফুটবলে আপাত সমাপ্তি ঘটেছে মেসি-রোনালদো দ্বৈরথের। ইতালীয় ফুটবলেও সেটি শুরু হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। মেসিকে নাকি লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইন্টার মিলান!

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর থেকে অনেকেরই আক্ষেপ—ক্লাব ফুটবলে লিওনেল মেসির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত দ্বৈরথটা আর দেখা যাবে না। গত নয়টি বছর ধরে স্প্যানিশ লিগে বার্সেলোনার মেসির সঙ্গে রিয়ালের রোনালদোর যে লড়াই তা তাতিয়ে রেখেছিল গোটা দুনিয়ার ফুটবল-রোমান্টিকদের। রোনালদো এই মৌসুমে জুভেন্টাসে চলে যাওয়ায় সেটির আপাত সমাপ্তি ঘটেছে। কিন্তু সত্যিই কি তাই!

ইতালীয় পত্রিকা তুতোস্পোর্তের বরাত দিয়ে দ্য মিরর জানিয়েছে, ইতালীয় ফুটবলেও মেসি-রোনালদোর এই ব্যক্তিগত দ্বৈরথ আবার শুরু করার চেষ্টা চলছে। এ লক্ষ্যে ইন্টার মিলান মেসিকে দলে টানতে অবিশ্বাস্য কোনো প্রস্তাব ছুড়লেও তাতে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না!

মেসিকে নিতে চায় ইন্টার—ইতালীয় পত্রিকায় ছাপা হওয়া সেই সংবাদটি। ছবি: সংগৃহীতমেসিকে নিতে চায় ইন্টার—ইতালীয় পত্রিকায় ছাপা হওয়া সেই সংবাদটি। ছবি: সংগৃহীত

এটিকে অনেকেই ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিতে চাইবেন। সেটি করাটাই স্বাভাবিক। মেসি কেন এই মুহূর্তে বার্সা ছাড়তে চাইবেন। গত নভেম্বরেই ন্যু ক্যাম্পে ২০২০-২১ মৌসুম পর্যন্ত থাকার চুক্তি সেরে রেখেছেন তিনি। তাঁর বাই আউট ক্লজ ৭০০ মিলিয়ন ইউরো। তাঁকে দলে টানতে যে অবিশ্বাস্য মূল্য পরিশোধ করতে হবে—সেটিও তো সকলেরই জানা। এমন একটা সময় ইন্টার মিলান যদি তাঁকে দলে টানতে চায়, তাহলে সেটি উড়িয়ে দেওয়ার মানুষের অভাব হওয়ার কথা নয়।

তবে মেসি সংক্রান্ত গুজবের ডালপালা ছড়িয়েছে ইন্টার মিলানের দীর্ঘদিনের স্পনসর পিরেলির প্রধান নির্বাহী মার্কো ত্রনচেত্তি প্রোভেরার একটি কথায়। তিনিই জানিয়েছেন মেসিকে দলে টানার চেষ্টা শুরু করেছেনে তারা, ‘সব ধরনের নিয়ম মেনেই আমরা মেসিকে দলে নিতে চাইব। আমি আশা করি ক্লাবের কর্ণধাররা এটি সম্ভব করবেন। মেসির মতো খেলোয়াড়কে কীভাবে আপনি এড়িয়ে যাবেন?’

এটি সম্ভব হলে ফুটবল রোমান্টিকরা ঐতিহাসিক এক দ্বৈরথের দ্বিতীয় অধ্যায়ে প্রবেশ করবেন। তবে এমনটি হলে সেটি যে বার্সা ভক্তদের হৃদয় ভেঙে দেবে, সেটি আর না বললেও চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here