আত্মঘাতী গোলে জিতলো বার্সেলোনা

0
144

স্টাফ রিপোর্টারঃ গতকাল ম্যাচের ওল্ড ট্রাফোর্ড উত্তপ্ত। সমর্থক থেকে কোচ খেলোয়াড় সবার মাঝেই উত্তেজনা। তবে বার্সা বস ভালবার্দের উত্তেজনা যা আছে সব ভেতরে-ভেতরে। বেশ নির্ভার বার্সেলোনা কোচ। আর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ ওলে গানার সোলসসায়ের অস্থির, উত্তেজিত…ছোটাছুটি করছিলেন এদিক-সেদিক! বুধবার রাতে ওল্ড ট্রাফোর্ডে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ চালাকালীন ডাগআউটের দৃশ্য এটি। যেন মাঠেরই প্রতিচ্ছবি। ম্যানইউ খেলোয়াড়েরা যেন রাজ্যের চাপ নিয়ে খেলছেন, কিসের যেন অস্থিরতা। মুদ্রার অন্য পিঠে বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের মনে হলো বেশ গোছালো, শান্ত। স্বাগতিকেরা এই অস্থিরতার খেসারত দিয়েছে শেষ পর্যন্ত। লুক শয়ের আত্মঘাতী গোলে প্রথম লেগের ম্যাচ হেরেছে ১-০ গোলের ব্যবধানে। ইংলিশদের মাঠে বার্সেলোনাও হয়তো আশা করেনি এমন সহজ ভাবে ম্যাচ জিতবে!

ম্যানইউ পুরো ম্যাচে গোলমুখে যে দশটি শট নিয়েছে তার সবগুলোই এলোমেলো, বেপথু। পগবা-লুকাকুদের মতোই দিশেহারা! অন্যদিকে ম্যানইউর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ সময় বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের পায়ে বল ছিল। কিন্তু মেসি-সুয়ারেজরা গোলমুখে শট নিয়েছেন মাত্র ছয়টি! অথচ এর তিনটি শটই কিন্তু লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে কাতালানরা।
বার্সেলোনা খেলোয়াড়েরা শুরু থেকেই ম্যানইউকে চেপে ধরে। ভালভার্দের শিষ্যদের আক্রমণ সামলাতেই ব্যস্ত সময় পার করেছে ম্যানইউ রক্ষণ। পাল্টা আক্রমণে যে কবার বার্সার রক্ষণে হানা দিয়েছে ইংলিশরা তাতে খুব একটা পরীক্ষায় পড়তে হয়নি টের স্টেগানকে। তবে ম্যাচের শুরুতেই পরীক্ষায় পড়তে হায় ম্যানইউ গোলরক্ষক ডি গিয়াকে। ১২তম মিনিটে মেসির দুর্দান্ত পাসে মাথা ছোঁয়ান সুয়ারেজ। সেটা জালে জড়ানোর আগে ম্যানইউর ডিফেন্ডার লুক শয়ের গায়ে লেগে যায়। এর মাঝেই অফসাইডের পতাকা উঁচু করে ধরেন রেফারি। যদিও ভিএআর-এর সাহায্যে অফসাইড বাতিল করে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি।

প্রথমহাফের পর দ্বিতীয় হাফে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে স্বাগতিকরা। কিন্তু ভাঙতে পারেনি বার্সার রক্ষণ দেওয়াল।

ফলে ১-০ এর জয় নিয়ে প্রথমলেগ শেষ করে সফরকারী বার্সেলোনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here